রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৯

koitok (jokes in bangla)

:D
পরিচালক: আমার ছবিতে তোমাকে একটা মূর্খের রোল দিতে পারি
অভিনেতা: কি ভাবে অভিনয় করব বলে দিন
পরিচালক: একদম স্বাভাবিক থাকবেন

;)
ডাক্তার: আপনার রোগটা সঠিক ধরতে পারছি নামনে হয় বেশি মদ খাওয়ার জন্য এমন হয়েছে
রোগী: তা হলে আপনার মাতলামো কমার পরে আসি?
:D

মাতাল : কিরে, তোর আব্বা কই?
ভাতিজা : আব্বাকে কী দরকার?
মাতাল : এই তালগাছটা চাইতে এলামএটা দিয়ে একটা হাতের লাঠি বানাতাম
ভাতিজা : এই গাছটা আব্বা মেছওয়াক করার জন্য রেখে দিয়েছে

:D

চেয়ারম্যান: আমি যদি এবার চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে এই এলাকায় একটি ব্রিজ করে দিব
জনৈক ব্যাক্তি: এই গ্রামে তো কোনো খাল নেই, আপনি ব্রিজ করবেন কিভাবে?
চেয়ারম্যান:প্রথমে খাল করব তারপর ব্রিজ করব!

:D

এক লোক ডাক্তার দেখাতে গেছে কারণ তার ইয়ে দাঁড়ায় নাডাক্তার শুনে বললেন, বিয়ে করছেন?

: না
:
প্রেমিকা আছে ?
:
না
:
পরকীয়া করেন ?
:

:
টানবাজার যান ?
:
না
:
মাস্টারবেট করেন?
:
না

ডাক্তার ক্ষেপে বললেন, “ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেন্ডার টাঙ্গাইবেন!!!

:D

: কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?
:
কেন ?
:
আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার |
:
তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জেলে আছেন |


:D

মাঃ তোমাকে তোমার বাবার পদাঙ্ক অনুসরন করা উচিত
ছেলেঃ বাবা, এমন কী উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন?
মাঃ কেন, ভদ্র ব্যাবহার করার জন্য জেল কতৃপক্ষ গত বছর তার শাস্তি ছয় মাস কমিয়ে দিয়েছিল


:D

: এটা চা না কফি? একদম কেরোসিনের গন্ধ
:
তা হলে এটা কফিআমাদের চাতে পেট্রোলের গন্ধ


:D

স্ত্রীঃ তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জালতাকে বারন করো
স্বামীঃ কেন বারন করবো? সে কি আমার সময় বারন করেছিল?


:D

রাতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন এক ভদ্রলোকগাড়ি জ্যামে আটকে গেলে এক ভিক্ষুক এসে হাত পাতল
:
দয়া করে কিছু দিন স্যার !
:
তুমি মদ খাও ?
:
না স্যার
:
তুমি ধূমপান কর ?
:
না
:
জুয়া খেল ?
:
না
:
তুমি শিগগির আমার গাড়িতে উঠ
:
যা দেবার এখানেই দিন, স্যার
:
না, তোমাকে বাড়ি নিয়ে আমার স্ত্রীকে দেখাতে চাই যে, মদ, জুয়া, ধূমপান এ সবের সাথে না থাকলে মানুষের জীবনের কি ভয়াবহ অবস্থা হয়


:D

১ম বন্ধু:- জানিস ! আমাদের ৩ ভাইয়রে মধ্যে ১ ভাই খুব সাহসী, একবার ঐ ভাই একাই একটা বাঘের সংগে লড়াই করছেলি
২য় বন্ধু:- তারপর কি হলো?
১ম বন্ধু:-তারপর থেকে আমরা ২ ভাই !!


:D

১টা বারে এক বুড়ো কাউবয় বসে আছে, পুরো কাউবয় সাজেএক তরুণী এসে তার পাশে বসলো

তুমি কী সত্যিই একজন কাউবয়?’ জিজ্ঞেস করলো সে

কাউবয় বললো, ‘আসলে, আমি আমার সারাজীবন কাটিয়েছি খামারেগরু পেলে বড় করেছি, বুনো ঘোড়া পোষ মানিয়েছি, ভাঙা বেড়া সারিয়েছি মনে হয় আমি একজন কাউবয়একটু থেমে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘তা, তুমি কী করো?’

তরুণী উত্তর দিলো, ‘আমি একজন লেসবিয়ানসারাদিন আমি মেয়েদের চিন্তা করিঘুম থেকে উঠেই আমি মেয়েদের নিয়ে ভাবিআমি যখন খাই, টিভি দেখি, ব্যায়াম করি, তখনও আমি মেয়েদের কথা ভাবিএ কথা বলে মেয়েটা ড্রিঙ্ক শেষ করে উঠে চলে গেলো

একটু পর আরেকটা মেয়ে এসে বসলো কাউবয়ের পাশে

হাই, তুমি কি সত্যিই একজন কাউবয়?’ জিজ্ঞেস করলো মেয়েটা

কাউবয় বিষণ্ন মুখে বললো, ‘আমি তো সারাটা জীবন তা-ই জানতাম, কিন্তু একটু আগে টের পেয়েছি, আমি আসলে একজন লেসবিয়ান

:D

এক বেদুঈন উটে চড়ে মরুভূমি পার হচ্ছে

দিনের পর দিন মরুভূমিতে চলতে চলতে হাঁপিয়ে উঠেছে সে, সেক্সের জন্যে আনচান করছে মনএকদিন সে ঠিক করলো, উটটাকেই ব্যবহার করবে সেযে-ই ভাবা সে-ই কাজ, উটের পিঠ থেকে নেমে সে উটের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালোকিন্তু উট তার মতলব বুঝতে পেরে দিলো ছুট

খানিকটা ছুটে হাঁপাতে হাঁপাতে উটটাকে পাকড়াও করে আবার মরুভূমি পাড়ি দিতে লাগলো বেদুঈনকিন্তু পরদিন ভোরে আবার তার খায়েশ হলোআবারও সে উটের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালোউটও আগের মতো ছুট দিলোবেদুঈন গালি দিতে দিতে আবার উটটাকে পাকড়াও করে পথ চলতে লাগলো

এমনি করে একদিন সে এক হাইওয়ের পাশে এসে দাঁড়ালোসেখানে একটা গাড়ি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে, আর গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে স্বল্পবসনা অপরূপ রূপসী তিন তরুণীউট থেকে নেমে এগিয়ে গেলো সে

আপনাদের কিভাবে হেল্প করতে পারি?’ জানতে চাইলো সে

তরুণীদের একজন, সবচেয়ে আবেদনময়ী যে, লাস্যময়ী ভঙ্গিতে বললো, ‘দেখুন না, গাড়িটা নষ্ট হয়ে আছেএখন যে কী হবে! কেউ যদি গাড়িটা ঠিক করে দিতো, তাহলে সে যা চাইতো তা-ই দিতাম আমরা

বেদুঈন এগিয়ে গিয়ে বনেট খুলে তিন মিনিট ঘাঁটাঘাঁটি করতেই গাড়ি আবার জ্যান্ত হয়ে উঠলোতিন রূপসী এবার ঘিরে ধরলো তাকেবলুন কিভাবে আপনার এই উপকারের প্রতিদান দিতে পারি?’ মোহনীয় হাসি ঠোঁটে নিয়ে জানতে চাইলো তারা

বেদুঈন খানিকটা ভেবে বললো, ‘পাঁচ মিনিটের জন্যে আমার উটটাকে একটু শক্ত করে ধরে রাখতে পারবেন?’

:D

ফরাসী বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছিসকালে সে আমাকে চমকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি

ইতালীয় বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছিসকালে সে আমাকে চমকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি

বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, ‘তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে কবার আদরসোহাগ করেছো?

বাঙালি বললো, ‘একবার

ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, ‘তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?’

ওগো, থামো, আর না

:D

বুড়ো রিয়াদ সাহেব বিয়ে করেছেন এক কচি মেয়েকে কিন্তু কয়েক হপ্তা পর দেখা গেলো, বিছানায় যত কায়দা কানুনই তিনি করেন না কেন, বউ বেচারির রাগমোচন হচ্ছে না

রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তিনি ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন

ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে রায় দিলেনএক কাজ করুনফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুনষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেনআপনারা যখন ঐসব করবেন, ছোকরা ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে আপনাদের বাতাস করবে

ডাক্তারের কথা কী আর ফেলা যায়? রিয়াদ সাহেব এক ষন্ডামতো ছোকরাকে ভাড়া করে বাড়ি নিয়ে গেলেনডাক্তারের নির্দেশমতো কাজ করেও কোন ফল পাওয়া গেলো নাচটেমটে রিয়াদ সাহেব আবার ডাক্তারের চেম্বারে হানা দিলেন

ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে আবারও রায় দিলেনএক কাজ করুনএবার উল্টো ফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুনষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেনএবার ছোকরা আপনার স্ত্রীর সাথে যখন ঐসব করবে, আপনি ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে ওদের বাতাস করবেন

মরিয়া রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তথাস্তু

এবার একেবারে হাতেনাতে ফল পাওয়া গেলোরিয়াদ সাহেবের বউ এক উথালপাথাল রাগমোচন লাভ করলেন

উল্লসিত রিয়াদ সাহেব ষন্ডা ছোকরার কাঁধে টোকা দিয়ে বললেন, “এবার বুঝেছো তো ছোকরা, কিভাবে ঠিকমতো বাতাস করতে হয়?”

:D

নিজের ইচ্ছেশক্তি পরীক্ষার জন্যে এক ভদ্রলোক ঠিক করলেন, তিনমাস তিনি স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেনএ ব্যাপারে তাঁর স্ত্রীর তেমন আগ্রহ না থাকলেও ভদ্রলোকের প্রস্তাবে রাজি হলেন তিনি

প্রথম কয়েক হপ্তা তেমন একটা সমস্যা হয়নিদ্বিতীয় মাস থেকে শুরু হলো সমস্যাভদ্রমহিলা তখন বোরখা পরে আর রসুন চিবিয়ে ঘুমুতে গেলেনবহুকষ্টে দ্বিতীয় মাস কাটানোর পর তৃতীয় মাস থেকে সত্যিই খুব কষ্ট হতে লাগলোমহিলা বাধ্য হলেন ভদ্রলোককে ড্রয়িংরূমের সোফায় ঘুমুতে পাঠানোর জন্যে, আর রাতে নিজের ঘরের দরজায় খিল এঁটে রাখতে হলো তাঁকে

এমনি করে তিনমাস শেষ হলোএকদিন ভোরে শোবার ঘরের দরজায় টোকা পড়লোঠক ঠক ঠক

বলো তো আমি কে?’ ওপাশ থেকে ভদ্রলোকের গলা ভেসে এলো

আমি জানি তুমি কে!ফুল্ল গলায় বললেন মহিলা

বলো তো আমি কী চাই?’

আমি জানি তুমি কী চাও!

বলো তো আমি কী দিয়ে দরজায় নক করছি?’

:D

রোমেল আর তার বউ গলফ খেলা শিখতে গেছে এক পোড়খাওয়া গলফারের কাছেপ্রথমে রোমেলের পালাকষে বলের ওপর ক্লাব চালালো সেবল গিয়ে পড়লো ১০০ গজ দূরে

উঁহু, এভাবে নয়এদিক ওদিক মাথা নাড়লো গলফারএমনভাবে ক্লাবটাকে আঁকড়ে ধরুন, যেন স্ত্রীর বুক চেপে ধরেছেন

এই পরামর্শ কাজে লাগিয়ে ক্লাব হাঁকালো রোমেলএবার বল গিয়ে পড়লো ৩০০ গজ দূরেসন্তুষ্ট হয়ে এবার রোমেলের বউকে শেখাতে বসলেন গলফার

কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম, ক্লাবটাকে এমনভাবে পাকড়াও করুন, যেন আপনার স্বামীর ঐ প্রত্যঙ্গটি চেপে ধরেছেনতারপর কষে হিট করুন

রোমেলের বউ হিট করলো, বল গিয়ে পড়লো ১০ গজ দূরে

গলফার বললেন, “হুম, মন্দ নয়এবার এক কাজ করুন, ক্লাবটাকে মুখ থেকে নামিয়ে হাত দিয়ে ধরে আবার মারুন তো দেখি!

:D
দুই নান গেছে কাঁচাবাজারে সব্জি কিনতে
ঘুরে ঘুরে এটা দেখে সেটা শুঁকে কিছুতেই পছন্দের সাইজের মুলা কিনতে পারলো না তারা শেষমেশ তারা শসাঅলার কাছ থেকে দুটো শসা কিনলো

শসাঅলা একগাল হেসে বললো, “নেন সিস্টার, এই যে আরেকটাআজকে আমার ইস্পিশাল বিক্রি, দুইটা কিনলে একটা ফ্রি

এক নান অন্যজনের দিকে ফিরে বললো, “বাহ্, মন্দ কী? চল, তিন নম্বরটা খাওয়া যাবে

:D
ছোট্ট বাবুকে প্রশ্ন করলেন মিস
, ‘ছোট্ট বাবু, বলো তো দেখি, তোমার বাড়ির পাশের পুকুরে তিনটা হাঁস ভাসছেযদি তুমি একটাকে শটগান দিয়ে গুলি করো, কয়টা থাকবে?’

বাবু খানিকটা ভেবে বললো, ‘উমম, তাহলে গুলির শব্দ শুনে সব উড়ে চলে যাবে, একটাও থাকবে না

মিস হেসে বললেন, ‘উঁহু, ছোট্ট বাবু, তিনটার মধ্যে একটাকে গুলি করলে বাকি থাকবে দুটোকিন্তু তোমার চিন্তাধারা আমার পছন্দ হয়েছে

বাবু মুচকি হেসে বললো, ‘তাহলে মিস, আমি একটা প্রশ্ন করিবলুন তো, আইসক্রীম পার্লার থেকে তিন মহিলা বের হয়েছে কোওন আইসক্রীম কিনেএকজন আইসক্রীম কামড়ে খাচ্ছে, একজন চেটে খাচ্ছে, আরেকজন চুষে খাচ্ছেএদের মধ্যে কে বিবাহিত?’

মিস খানিকটা ভেবে বললেন, ‘ইয়ে, মানে বাবু, আমার মনে হয় শেষের জন

বাবু বললো, ‘উঁহু মিস, এদের মধ্যে যার হাতে বিয়ের আঙটি আছে, সে-ই বিবাহিত, কিন্তু আপনার চিন্তাধারা আমার পছন্দ হয়েছে

:D

ছোট্ট বাবুর ক্লাসে নতুন শিক্ষিকা মিস মিলি এসেছেন তিনি প্রথমেই সকলের সঙ্গে পরিচিত হবেনকাজেই বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে বললেন, ‘ছোট্ট সুজি, তোমার বাবা মা কী করেন?’

আমার বাবা একজন বিজ্ঞানী, আর মা একজন ডাক্তার

মিষ্টি হেসে মিস মিলি বললেন, ‘ছোট্ট টুনি, তোমার বাবা মা কী করেন?’

আমার বাবা একজন শিক্ষক, আর মা একজন উকিল

বাহ! ছোট্ট বাবু, তোমার বাবা মা কী করেন?’

বাবু বলল, ‘আমার বাবা মারা গেছেন, আর মা একজন পতিতা

মিস মিলি রেগে আগুন হয়ে প্রিন্সিপালের কাছে পাঠালেন বাবুকেমিনিট পাঁচেক পর ছোট্ট বাবু ফিরে এল

তুমি প্রিন্সিপালকে বলেছ, তুমি আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছ?’

জ্বি মিসবলল বাবু

তিনি কী বললেন?’

বললেন, আমাদের সমাজে কোনও কাজই তুচ্ছ নয়তারপর আমাকে একটা আপেল খেতে দিলেন, আর বাসার ফোন নাম্বার লিখে রাখলেন

:D

বাবুর অফিসের কাজে মন বসে নাতার গা ম্যাজম্যাজ করে, মেজাজটাও খারাপ হয়ে থাকে

বস একদিন ডাকলেন তাকে

শোনো, এভাবে তো চলবে নাতোমাকে চাঙা হতে হবেআমারও এরকম হতো আগে তখন কী করতাম জানো? লাঞ্চ আওয়ারে বাড়ি চলে যেতামতোমার ভাবীর হাতের মজার রান্না খেয়ে, ঘন্টাখানেক তাকে চুটিয়ে আদর সোহাগ করতাম হে হে, বুঝতেই পারছো, কী বলতে চাইছিএরপর থেকে আমি একদম চাঙা, কোন সমস্যা হয় নাতুমিও ওরকম একটা কিছু করে দেখো, ফল পাবে

হপ্তাখানেক পর বস দেখলেন, অফিসে বাবুর কাজ চলছে দারুণটেলিফোন, ফ্যাক্স, কম্পিউটার নিয়ে দক্ষযজ্ঞ কান্ড একেবারেবস হাসলেন, ‘কী মিয়া, পরামর্শ কাজে লাগলো?’

বাবু উফুল্ল গলায় বললো, ‘জ্বি স্যার, একেবারে হাতে হাতেআর ভাবীর হাতের রান্না তো অপূর্ব!

:D

সখিনা-তোমার স্বামী প্রতিদিনই দেখি ঠিক ৯টার সময় বাসায় ফেরেআমার স্বামী তো পারলে বাসায়ই ফেরে নাকিন্তু তোমার স্বামী আসে, রহস্য কি?
জরিনা- আমি বাসায় সাধারণ একটা নিয়ম করে দিয়েছিতাকে বলেছি যে সেক্স হবে ঠিক রাত ৯টায়, তুমি তখন বাসায় থাকো আর নাই বা থাকো

:D

সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছেএকজন সি, একজন ডি আর একজন এফ

যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, “ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!

যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …!”

যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অ্যায়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!

:D

শপিং সেরে বাড়ি ফিরতেই ছোট্ট বাবু তার মাকে বললো, “মা মা, আজ কী হয়েছে শোনো, আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢুকলোতারা দুজন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো

এটুকু শুনেই বাবুর মা তাকে থামিয়ে দিলেনমুখখানা গম্ভীর করে বললেন, “ব্যস, আর একটা শব্দ নাএবার বাবা ফিরলে তুমি যা দেখেছো, তা আবার ঠিক ঠিক বলবে, কেমন?”

বাবুর বাবা বাড়ি ফিরতেই বাবুর মা মুখ ঝামটা দিলেনতোমার মতো একটা লম্পটের সাথে আমি আর সংসার করবো না

বাবুর বাবা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললেন, “কেন?”

তখন বাবুর মা বললেন, “বল বাবু, কী দেখেছিস গুছিয়ে বল

বাবু বললো, “আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢকলোতারা দুজন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো, তারপর তুমি আর আক্কাস আঙ্কেল গত পরশু দিন দুপুরে যা করেছিলে, বাবা আর টিনা আন্টি তা-ই করতে লাগলো

:D

বাবু খুব তোতলায়

এমনটা ছোটবেলায় হতো না, এখন কেন হচ্ছে জানার জন্যে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলো সে

ডাক্তার তাকে আপাদমস্তক পরীক্ষা করে কারণটা খুঁজে পেলেনতিনি জানালেন, ‘দেখুন মিস্টার বাবু, আপনার বিশেষ প্রত্যঙ্গটি অত্যন্ত দীর্ঘসেটির ওজনে আপনার ভোকাল কর্ডে টান পড়েছেপ্রত্যঙ্গটি কেটে খানিকটা ছোট করা হলে সম্ভবত আপনার তোতলামি সেরে যাবেআপনি রাজি হলে আমি এখন যা আছে, তার অর্ধেকে আপনাকে নামিয়ে আনতে পারিতবে যে অর্ধেক সরিয়ে ফেলা হবে, সেটি কিন্তু আপনাকে হস্তান্তর করা হবে নাআপনি কি রাজি?’

কী আর করা, বাবু রাজি হলোঅপারেশন সফল হওয়ার পর তার তোতলামি সেরে গেলো

কিন্তু বাবুর বান্ধবী টিনা সব জানতে পেরে ভীষণ চটে গেলোসে হুমকি দিলো, তোতলামি নিয়ে তার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু বাবুর অর্ধেক যদি বাবু ফেরত না নিয়ে আসে, এ সম্পর্ক সে রাখবে না

কী আর করা, মাসখানেক টিনাকে বোঝানোর চেষ্টা করে বিফল হয়ে শেষে বাবু আবার গেলো ডাক্তারের কাছে

ডাক্তারসাহেব, আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিনআব্দার জানালো বাবু, তারপর বর্তমান পরিস্থিতি ডাক্তারকে বুঝিয়ে বললো

কিন্তু ডাক্তার কোন জবাব দিলেন না, ভাবুক চোখে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে

বাবু চটে গেলোকী হলো, কথা শুনতে পাচ্ছেন না আমার? আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন

ডাক্তারও চটে গিয়ে বললেন, ‘প-প-প-পারবো নাযান, ভ-ভ-ভাগেন এখান থেকে









কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন